Social Icons

Pages

Featured Posts

Saturday, November 16, 2013

পুরস্কার পেল রূপকথা

পুরস্কার পেল রূপকথা


ওয়াসিক ফারহান রূপকথা, বয়স মাত্র ৭ বছর। কম্পিউটারে তাঁর বিস্ময়কর দক্ষতা আরও কম বয়স থেকেই দেখা গেছে। ২৬ অক্টোবর গোল্ডেন বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে পৃথিবীর সর্বকনিষ্ঠ কম্পিউটার পারদর্শী হিসেবে তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর আগে রিপ্লি’স বিলিভ ইট অর নটের কমিক স্ট্রিপেও স্থান পেয়েছে সে। পৃথিবীর সর্বকনিষ্ঠ প্রোগ্রামার হিসেবে রূপকথা স্বীকৃতি পাওয়ায় ১১ নভেম্বর সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় তাকে দুই লাখ টাকার চেক পুরস্কার দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ফাহমিদা আখতার স্বাক্ষরিত সেই চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রশংসাযোগ্য ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের জন্য এই অর্থ দেওয়া হচ্ছে। চলতি বছর অষ্টম শ্রেণীর ইংলিশ ফর টুডে এবং গার্হস্থ্য বিজ্ঞান পাঠ্যবইতে স্থান পেয়েছে রূপকথার কাহিনি।

১২ নভেম্বর ঢাকার নিকেতনে রূপকথাদের বাসায় গিয়ে দেখা যায়, সে যথারীতি কম্পিউটার নিয়ে কাজ করছে। দিনের বেশির ভাগ সময় তার কম্পিউটারেই কাটে—জানালেন রূপকথার মা সিনথিয়া ফারহিন। তিনি আরও বললেন, ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে সর্বকনিষ্ঠ কম্পিউটার প্রোগ্রামার বিভাগে রূপকথার নাম ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের পাঠানো একটি ফরম পূরণ করে পাঠিয়ে দিয়েছি আমরা।’

রূপকথা দুই হাতে দুই কম্পিউটার চালায় বলা চলে। তার ঘরে দেখা গেল টেবিলে ডেস্কটপ কম্পিউটারের পাশে একটি ল্যাপটপ রাখা। একটিতে ইউটিউব থেকে ভিডিও টিউটেরিয়াল দেখছে আর অন্যটিতে সে অনুযায়ী প্রোগ্রামিংয়ের কাজ করছে। দেড় বছর বয়স থেকেই মায়ের ল্যাপটপে হাতেখড়ি রূপকথার। সিনথিয়া বলেন, রূপকথা বর্ণমালা চিনেছে কম্পিউটার মনিটর থেকে। মাত্র আড়াই বছর বয়সে মেটাল গিয়ার সলিড স্নেকের মতো জটিল গেম খেলে অভ্যস্ত সে।

রূপকথা এখন নিজেই ছোটখাটো গেম তৈরি করতে পারে। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম-সংক্রান্ত নানা সমস্যার সমাধানও করতে পারে। রূপকথার বাবা ওয়াসিম ফারহান বলেন, ‘রূপকথার কাজ আমাকে রূপকথার গল্পের মতোই বিস্মিত করে, আমি অভিভূত।’

কম্পিউটার কি-বোর্ড আর মনিটরেই সব ধ্যানজ্ঞান রূপকথার। মায়ের কাছে তার একটিই অভিযোগ, খাবারটা কেন কম্পিউটার টেবিলে বসে খেতে পারব না! নিজের সাফল্যে চমৎকৃত হওয়ার মতো বয়স হয়তো রূপকথার হয়নি! কিছু জিজ্ঞেস করলেই বলে, ‘খুব ভাল্লাগে।’

মায়ের প্রত্যাশা, ছেলে একদিন বিশ্বখ্যাত কম্পিউটার প্রোগ্রামার হবে। সেভাবেই তিনি গড়ে তুলতে চান রূপকথাকে।

ওয়াসিক ফারহান রূপকথা

৫০ থেকে ১০০ টাকার মাঝেই আপনার রুম হিটার তৈরি করে নিতে পারেন।



সামনে আসছে শীত কাল অনেকের রুম হিটার কেনার অবস্থা নেই, আবার রুম হিটার দামে যেমন বেশি এতে বিদ্যুৎ ও তেমন বেশি লাগে কিন্তু আপনি চাইলে ৫০ থেকে ১০০ টাকার মাঝেই আপনার রুম হিটার তৈরি করে নিতে পারেন।সামনেই শীত কাল আর আমাদের দেশে শীতকেলে প্রচুর শীত পড়ে। আর শীত কালে নিজের পড়ার রুম কিংবা ঘুমানোর রুমটি যদি খুব সহজে সাশ্রয়ী দামে গরম রাখা যায় তবে বিষয়টি মন্দ হয়না।আমরা আজ মোম বাতির সামান্য তাপকে এক সাথে জড়ো করে এবং মাটির টব ব্যবহার করে একটি এক বা দুই জনের রুমকে কিভাবে গরম রাখা যাবে তা দেখব।

সাশ্রয়ী রুম হিটার বানাতে যা যা আপনার লাগবেঃ

>চারটি মোম বতি

>একটি মোম বাতি রাখার পাত্র

>দুটি মাটির টব ( একটি ছোট অন্যটি ছোট টবের এর দিগুন বড় )

প্রথমেই আপনাকে চার’টি মোমবাতি নিতে হবে, এক্ষেত্রে খোলা মোমবাতি না নিয়ে গ্লাসে বসানো মোমবাতি নিলে ভালো হয়। এগুলো প্রতিটি টানা প্রায় ৪ ঘন্টা জ্বলে। আপনি সুপার স্টোর সমূহে এ ধরণের মোম বাতি পাবেন।

এবার একটি বক্স আকৃতির কোন পাত্রে চারটি মোম রেখে তাতে আগুন দিন। এবার ছোট আকৃতির টব ঐ জ্বলন্ত মোমের উপরে উপুড় করে বসান, খেয়াল রাখবেন এমন ভাবে বসাবেন যাতে নিচের দিকে তাপ বেরিয়ে আসার জন্য পর্যাপ্ত খালি পথ থাকে। এখন ছোট টব টি উপুড় করে রাখার পরে এতে থাকা গোল ছিদ্র হালকা কিছু একটা দিয়ে বুজে দিন। এর পরে বড় টব টি নিন এবং একই ভাবে ছোট টবের উপর বসিয়ে দিন। এবার দেখা যাবে বড় টবটি দিয়ে ছোট টব সম্পূর্ণ ঢেকে গেছে এবং এর নিচের অংশ দিয়ে খালি যায়গা থাকবে সেখান দিয়ে ছোট টব মোমের তৈরি করা গরম তাপে ধ্রুত গরম হয়ে হয়ে উঠে তাপ নির্গত করবে। এভাবে আপনার রুম টি দ্রুত সহনীয় পর্যায়ের গরম হয়ে উঠবে .




এবার চুলুন নিচের ভিডিও’তে দেখি নিই সাশ্রয়ী রুম হিটার কি ভাবে কাজ করবেঃ



 

Sample text

Sample Text

Sample Text